অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮:৪০, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
সমাজের এতিম ও দুস্থ শিশুদের কল্যাণে সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে এক লাখ এতিম ও দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
শুক্রবার চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার আল জামেয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি মাদ্রাসার দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এতিমদের দায়িত্ব সরকারের। এ দায়িত্ব পালনে সরকার সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে। এতিম ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে বিএনপি সরকার কাজ করে যাবে। এ জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এক লাখ এতিম ও দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাশাপাশি অনাথ ও এতিমদের জন্য সরকারি কার্যক্রমের পরিধিও বাড়ানো হচ্ছে।
এ সময় এতিম ও দুস্থ শিশুদের কল্যাণে সরকারের পাশাপাশি সমাজের ধনী ও বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শেষ করে অনেকেই দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রসারে মাদ্রাসা শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।
মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মো. খোবাইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মাওলানা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা মেরাজুল হক, মুফতি আরশাদ রহমানি, পাকিস্তানের আল্লামা ফয়সাল নদীম, মাওলানা ফরিদ উদ্দীন আল মোবারক, মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী কুয়াকাটা, মুফতি শিহাব উদ্দীন নাটোরী, চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, শিল্পপতি আহমেদুল হক, মীর গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুস সালাম, শিল্পপতি ফেরদৌস ওহিদ বাপ্পী, শিল্পপতি সামশুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব খোরশেদ আলম, বিভাগীয় সমাজসেবা কর্মকর্তা ওয়াহিদুল আলম ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনসহ অনেকে।
জুমার নামাজের পর দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী।