২৩ কার্তিক ১৪৩৩, নভেম্বর ৮, ২০২৬

মোদি সরকারের বিদায় কবে, জানালেন ককরোচ প্রধান

অনলাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮:৫৮, ৮ নভেম্বর ২০২৬

মোদি সরকারের বিদায় কবে, জানালেন ককরোচ প্রধান

ছবিঃ সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য করেছেন কক্‌রোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তার দাবি, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেই ক্ষমতা হারাবে মোদি সরকার। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার পরিবর্তনের জন্য দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার কেরালার কোচিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) এবং ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে এসব কথা বলেন দীপকে।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে দীপকে বলেন, সরকার পরিবর্তনের একমাত্র পথ নির্বাচন। তাই দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি।

বিজেপির পক্ষ থেকে মোদির ক্ষমতায় থাকা নিয়ে করা বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘২০২৯ সালের জন্য প্রস্তুত থাকুন। তিনি নিশ্চিতভাবেই ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন।’

দীপকের দাবি, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমারকে যেতে হবে। তিনি গেলে নরেন্দ্র মোদীও চলে যাবেন।’

অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে রক্ষা করতে দেশের যুবসমাজের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ করছে সরকার।’ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জ্ঞানেশ কুমার কেন এত গুরুত্বপূর্ণ সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা নিয়ে প্রবেশ করার অভিযোগে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকার সঙ্গে দীপকে তার গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

এ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে দীপকে বলেন, ভবিষ্যতে যেখানেই যাবেন, সঙ্গে জাতীয় পতাকা রাখবেন। তিনি বলেন, ‘এই তেরঙ্গা তোলার জন্য আমাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। আমার দুই ভাই সৌরভ ও আশুকেও জেলে পাঠানো হয়। ভারতে শেষবার এমন ঘটনা ঘটেছিল ব্রিটিশ শাসনের সময়।’

সমাবেশে সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগও আনেন দীপকে। তার দাবি, নাগরিকদের খাদ্যাভ্যাস, বিয়ে, ভালোবাসা এবং ভোটাধিকার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে এ প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হচ্ছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।

আরও পড়ুন