২৩ কার্তিক ১৪৩৩, নভেম্বর ৮, ২০২৬

সুব্রত বাইনের গ্রুপের পরিচয়ে মগবাজার-নয়াটোলায় চলছে নীরব চাঁদাবাজি!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২১:৪৮, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুব্রত বাইনের গ্রুপের পরিচয়ে মগবাজার-নয়াটোলায় চলছে নীরব চাঁদাবাজি!

ছবি: সংগৃহীত

মগবাজারের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের গ্রুপের সদস্য পরিচয়ে কামরুল ইসলাম কিংকং, সাব্বির ও অপুর নেতৃত্বে মগবাজার ও রমনা জোনে চলছে নীরব চাঁদাবাজি বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া কিংকং, সাব্বির ও অপুর বিরুদ্ধে ময়লা বাণিজ্য, বাড়ি কেনাবেচা ও ডিসের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রমরমা বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।  সরকারের পক্ষ থেকে যেখানে ময়লা বাণিজ্যে যারাই জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হচ্ছে। তারপরও থেমে নেই তাদের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই। কাউকেই যেন তারা এখন মানতে চান না। দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন তারা। 

সরজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কিংকং নিজেকে বিএনপির সক্রিয় নেতা দাবি করে এলাকাতে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব বাহিনী। শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সেকেন্ড হ্যান্ড বলে পরিচিত দীপু আটক হওয়ার পর আধিপত্য ধরে রাখতে নিজেকে বিএনপির নেতা দাবি করছেন তিনি। যদিও তার এই পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে অনেকেরই।  নয়াটোলার এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা বিগত দিনে যার কাছ থেকে ডিস ব্যবহার করতাম তাকে বিল দিতে না করে কিংকংয়ের ছেলেরা।

শামীম ও ইসমাইল নামের দুজন ছেলে আমার বাসায় এসে একথা বলে যায়। এছাড়াও মগবাজারের ময়লা বাণিজ্যের পেছনে খোজ নিয়ে জানা যায়, অপু ও সাব্বির গাবতলা, মাজাররোড, রেড ক্রিসেন্ট গলি ও বাটাগলিতে নিজেদের কর্মী বাহিনী দিয়ে ময়লার টাকা তুলছে। ইমন নামের একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী বলেন, আমরা কাজ করে খাই। কদিন ধরে অপু ভাইয়ের কথা বলে আমাকে এসব গলির ৩০টি বাসার কথা বলে দেয়। আমি সেখান থেকেই ময়লা নিচ্ছি। এবিষয়ে, স্থানীয়দের সাথে কথা বলতে গেলে তারা ভয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। কেউ আইনের লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে।

আরও পড়ুন