জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৪:৩১, ১০ জুলাই ২০২৬
অনুসন্ধান গ্রাফিক্স
মাদকবিরোধী অভিযানের পর উদ্ধার মাদক ও অর্থের সঠিক পরিমান মামলায় উল্লেখ না করার পাশাপাশি মাদক বিষয়ে তথ্যদাতার সোর্সমানি প্রদান না করার অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ঢাকার এক পরিদর্শককে তার কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করেছে।
অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তা হলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ঢাকা মেট্রো (উত্তর) এর আওতাধীন উত্তরা সার্কেলের পরিদর্শক দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান।
বৃহস্পতিবার রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) দায়িত্বশীল একটি সূত্র অনুসন্ধান ডটকমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্রটি জানায়, গত ৬ জুলাই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে আবুল খায়ের নামের এক ব্যক্তি নারায়নগঞ্জ জেলার সানারপাড় এলাকায় ৩ টি মামলার বিষয়ে উত্তরা সার্কেলের পরিদর্শক দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান ও বিমানবন্দর সার্কেলের সহকারি উপপরিদর্শক মোহাম্মদ রোকুনুজ্জামানকে তথ্য প্রদান করেন। তার দেয়া তথ্য মতে প্রথম অভিযানে ১৮ শ পিস ইয়াবা, দ্বিতীয় অভিযানে ৪ শ গ্রাম হেরোইন ও তৃতীয় অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। তবে মামলা দায়েরের সময় উদ্ধার মাদক ও অর্থের সঠিক পরিমান উল্লেখ করা হয়নি। এমনকি যিনি মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য দিয়েছিলেন তার সোর্স মানিও প্রদান করা হয়নি বলে অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ আনা হয়।
ওই অভিযোগ আমলে নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তাৎক্ষণিক তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে তাদের তৎপরতা শুরু করে। এজন্য অধিদপ্তরের পরিচালক (নিরোধ শিক্ষা, গবেষনা ও প্রকাশনা অধিশাখা) মো: রাজীব আহসানকে আহ্বায়ক ও সহকারি পরিচালক (অপারশনস) ফয়সাল আহমেদকে সদস্য সচিব করে একটি চার সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। যেখানে সদস্য হিসেবে ছিলেন, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক এ কে এম শওকত ইসলাম ও প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (অপারেশনস)মুকুল জ্যোতি চাকমা। যাদের তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। ঠিক একদিন পরই ডিএনসি'র উপ-পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) রাজিব মিনা স্বাক্ষরিত দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানকে প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করার আদেশ জারি করা হয়।