অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১০:২৭, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে আগের নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ে আবেদন করে ভোটাররা তাদের ভোটার এলাকা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
একই সঙ্গে অনলাইনে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের সেবা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে আগামী নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা থাকায় গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিল ইসি। তবে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় এ কার্যক্রম আবারও চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
সরাসরি যেভাবে আবেদন করবেন
আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা স্থানান্তর করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস এবং রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কার্যালয়ে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।
এ জন্য আগের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার এলাকা স্থানান্তরের নির্ধারিত ফরমে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করবে। যাচাই-বাছাই শেষে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন নিষ্পত্তি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য আপডেট বা ইস্যু করা হবে।
অনলাইনেও চালুর উদ্যোগ
সরাসরি আবেদনের পাশাপাশি অনলাইনে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের সেবা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইসির চিঠিতে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজারকে (কারিগরি) ভোটার এলাকা স্থানান্তরের অনলাইন লিংক সচল করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনলাইন সেবা চালু হলে আবেদনকারীরা অনলাইনের মাধ্যমেও ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারবেন।
ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করবে। যাচাই শেষে আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ভোটার সংক্রান্ত তথ্য আপডেট বা ইস্যু করা হবে।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণ থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তির পুরো প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম তদারকির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।