অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১২:৪০, ২ অক্টোবর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে চলতি সপ্তাহে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। মাছ, মাংস ও ডিম আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজারেও অধিকাংশ পণ্যের দাম রয়েছে প্রায় অপরিবর্তিত। তবে বাজারে উঠতে শুরু করা আগাম শিমের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিপরীতে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে, যার কেজি ৩০ টাকা।
শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢেঁড়শ, পটল ও কাঁকরোলের মতো সাধারণ সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭০ থেকে ১২০ টাকায়। শসার দাম রয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। তবে দেশি শসার দাম তুলনামূলক বেশি, কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। কাঁচা মরিচ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে।
মুরগির বাজারেও তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজধানীতে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা দরে। ডিমের দামও আগের অবস্থাতেই রয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিমের এক ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকা। চারটি ডিম কিনতে গুনতে হচ্ছে ৫৫ টাকা।
মাছের বাজারে অবশ্য মাছের ধরন ও আকারভেদে দামের পার্থক্য বেশ স্পষ্ট। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা কেজিতে।
এ ছাড়া ভেটকি মাছের দাম ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। দেশি কই বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে। তবে চাষের কই পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ টাকায়। পোয়া মাছের কেজি ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুইয়ের দাম ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। অন্যদিকে রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি ১ হাজার টাকার বেশি খরচ করতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, মাছের দাম নির্ধারণে আকার ও মানের পাশাপাশি মাছটি জীবিত নাকি মৃত—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে একই ধরনের মাছের দামেও বাজারভেদে কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়। সাধারণত একই মাছের দামে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত ব্যবধান রয়েছে।