অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪:৪৩, ২ অক্টোবর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেওয়ার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শুক্রবার দিল্লি মেট্রোর ১১টি স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক, সেবা তীর্থ, মণ্ডি হাউস, লোক কল্যাণ মার্গ, আইএনএ, চাওরি বাজার, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ ও নয়াদিল্লি স্টেশনের প্রবেশ ও বহির্গমন গেট বন্ধ থাকবে। তবে রাজীব চক, মণ্ডি হাউস, নয়াদিল্লি ও সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে ট্রেন পরিবর্তনের সুবিধা চালু রাখা হয়েছে।
আম আদমি পার্টি (এএপি), অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ), ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই) এবং ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেস জন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি দাবি করে সংগঠনগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ চেয়েছে।
এর আগে দিল্লি পুলিশ জন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত একটি বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি এবং কেন্দ্রীয় দিল্লিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। বিক্ষোভস্থলের আশপাশে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের পাশাপাশি জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের দাবির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন। অন্যদিকে, মেট্রো স্টেশনগুলোতে প্রবেশ ও বহির্গমন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মূলত বিক্ষোভকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে। ফলে শুক্রবার কেন্দ্রীয় দিল্লির যাতায়াতে এর প্রভাব পড়েছে।
সূত্র: দ্য প্রিন্ট